আমি একটি মদ্ধবিত্ত ঘরের শন্তান। ছয় ভাই বো্নের মদ্ধে আমি ছিলাম সবার ছোট। আট দশটা মদ্ধবিত্ত ঘরের সাধারন ছেলের মতই আমার বেড়ে উঠা। পরিবারের সবার ছোট হওয়ার কারনে আমি একটু বেশি সুযোগ সুবিধা পেতাম । আমাদের এলাকায় আমাদের কিছু বড় ভাই ছিল যাদের সাথে আমারা একসাথে আড্ডা মারতাম,খেলতাম আর ঘুরতাম। তাদের মদ্ধে আবার কিছু বর ভাই ছিল মাগিবাজ। এর মদ্ধেই একদিন বর ভাইদের সথে ফুটবল খেলে বাসার দিকে রওনা দিচ্ছিলাম তখন দুই জন বর ভাই বল্ল যে আমাকে বাসায় আগায় দিবে, আমিত অবাক আমাকে বাসায় আগায়া দেওয়ার কারনটা আমি ঠিক বুঝলাম না। যাক আগায় দিবে বলসে পরে কি হয় চিন্তা না করে রওনা দিলাম, কিসুদুর জাওয়ার পর এক বর ভাই বল্ল যে কোনদিন হাত দিয়া ধন খিচসি কিনা আমিতো সুইনা পুরাই থ কয় কি হালায় এইটা। আমি মোটামুটি রাগ করে বল্লাম যে মজা লন কেন। তারা আমার কথা সুইনা হাইসা দিল, তা দেখে আমার মনের মদ্ধে ভয় দেখা দিল আমি দিলাম দৌড় দেখি তারাও আমার পিছে দৌড় দিসে। আমি আমার বাসার সিরির কাসে আইসা তাদের কাসে ধরা খাইলাম। তাদের মদ্ধে একজন আমার দুই হাত ধরল আর একজন আমার ট্রাউজার খুলে ধনেহাত দিয়ে ধন খেচা শুর করল। আমি ধস্তাধস্তি শুরু করলাম কিন্তু তাদের সাথে শক্তিতে কুলাতে পারলাম না, প্রথমে খারাপ লাগল কিন্তু পরে আস্তে আস্তে ধন শক্ত হতে লাগল আর আমার আস্তে আস্তে ভাল লাগা শুরু হল। এইভাবে কিসুক্ষন পর আমার শরিরে একটা শুখের অনুভুতি শুরু হতে লাগল আর মনে হতে লাগল আমার তল পে্ট থেকে কিছু বের হওয়র জন্য চেস্টা করতেসে। আর বেশিক্ষন টিকতে পারলাম না আমার মাল আউট হয়ে গেল। মাল আউট হওয়ার সাথে সাথে আমার বর ভাইরা আমাকে সেরে দিল আর বলল কেমন লাগলো আমি সুখের চোটে কিসু বলতে পারলাম না। এই অবস্থায় তারা আমাকে ছেড়ে দিয়ে চলে গেল। আমার এই ভাল লাগার অনুভুতি শেষ হওয়ার পর আমি টের পেলাম আমার ট্রাউজারের কিছু যাগায় মাল পরে একবারে ভিজে গেছে। সাথে সাথে খুব ভয় পেলাম যে এই অবস্থায় বাসায় কিভাবে যাব। পরে সিড়িতে পরে থাকা কিছু বালি গায়ে আর ট্রাউজারে মাখিয়ে নিয়ে বাসার দিকে রওনা দিলাম, কলিং বেল দেওয়ার পর মা দরজা খুলে দিল। মা এর দিকে না তাকিয়ে কোনমতে বাথরূমে গিয়ে গোসল করে নিলাম। বাথরুম থেকে বের হয়ে কার সাথে কোন কথা না বলে পড়ার রুামে গিয়ে বই নিয়ে বসে পরলাম আর কি ভাবে কি হয়ে গেল ভাবতে লাগলাম। শরীরটাও বেশি ভাল লাগতে ছিল না, মা নুডুলস রান্না করে নিয়ে এসে আমাকে দেখে বলল কিরে শরীর খারাপ করল কিনা? আমি বললাম যে ফুটবল খেলে ক্লান্ত হয়ে গেছি, মা আমার মাথায় হাত রেখে বলল শরীর খারাপ লাগলে নাস্তা খেয়ে কিসুক্ষন যাতে শুয়ে থাকি। এই বলে মা তার রুমে চলে গেল। আর সেই সময় বাসায় মা ছাড়া কেউ ছিলনা তাই নুডুলস খেয়ে শুয়ে পরলাম।আবল তাবল সপ্ন দেখতে দেখতে ঘুমটা ভেঙ্গে গেল, ঘুমটা ভাঙ্গার সাথে সাথে টের পেলাম যে আমার ধন আবার খারা হয়ে গেছে মাথা আবার নস্ট কি করা যায় ভেবে আসে পাসে দেখতে লাগলাম দেখলাম কেউ নাই কোন মতে ধনে হাত রেখে বাথরুম চলে গেলাম। বাথরুম গিয়ে ধনে ঠান্ডা পানি ধাললাম যদি ধন থান্ডা হয় কিন্তু না ধন কোন ভাবেই ঠান্ডা হছসে না, উপায়ন্তর না দেখে ধনে হাত রেখে খেচা শুরু করলাম, আনেকখন খেচার পর দেখি মাল আউট হয় না। আর জোরে জোরে খেচা শুরু করলাম, একটূ পরে মনে হল ধনের আগা আর হাতের তালুতে আগুন ধরে গেল কিন্তু থামলাম না খেচতে থাকলাম, আস্তে আস্তে সেই সুখের আবেশ চলে আসল, তলপেট থেকে আবার সেই চাপ বেশিক্ষন ধরে রাখতে পারলাম না মাল আউট হয়ে গেল, আহ কি সুখ…পরিস্কার হয়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসলাম। বের হয়ে ধিরে ধিরে মার রূমের দিকে গেলাম, মা বল্ল ঘুম ভাংল আর এখন কেমন লাগতেসে? বললাম আগের থেকে ভাল লাগতেসে। মা বলল চা খাবি? বললাম যে দাও। তারপর সেখান থেকে সোযা পড়ার টেবিলে ছলে আসলাম। একটু পর মা চা দিয়ে গেল। চা খাছসি আর ছিন্তা করতেসি এতদিন এই মজা কোথায় ছিল মনে মনে এলাকার বড় ভাইদের থানক্স দিলাম।এই ভাবে কিছুদিন চলতে লাগল ধন খেচায় বরই মজা পেতে লাগলাম, আমার ৩ ও ৪ নাম্বার ভাই আমার থেকে বয়সে ৬ অ ৮ বতসরের বর, তাদের দুইজন এর দুইটা আলাদা তালা মারা ড্রয়ার ছিল আর সেগুলা সবসময় তালা মারা থাকত, একদিন দেখি এক ভাই এর ড্রয়ার এর তালা খোলা সন্দেহের বসে ড্রয়ারটা খুললাম আর যা দেখলাম তা দেখেতো আমার চক্ষু চরাকগাছ, ড্রয়ার এর ভিতরে দেখি একটা সুন্দর নগ্ন মেয়েদের ছবি দেওয়া রংগিন পত্রিকা, কাপা কাপা হাতে আশে পাশে তাকিএ পত্রিকাতে হাত দিলাম, পত্রিকার প্রছদে দেখলাম একটা নগ্ন মেয়ের শুন্দর ছবি। আই প্রথম আমি কোন নগ্ন মেয়ের ছবি দেখলাম। পত্রিকাতার নাম ছিল Penthouse.একটা একটা পাতা উলটাচসি আর রোমাঞ্চিত হচছি, আস্তে আস্তে বুঝলাম যে আমার ধন খারা হছসে, ড্রয়ার এর ভিতর খুজতে লাগলাম দেখি কিছু পাই কিনা পেলাম কিছু দেশি বই যা তে লেখা সেক্স কি? কি ভাবে সেক্স করতে হয়? বিভিণ্ণ ধরনের আসনে সেক্স এর ছবি, দেখতে দেখতে কখন যে আমার ধন পুরা শক্ত হতে লাগল টের পেলাম না, মা বাসায় নেই আর ভাইয়ারা ভারসিটিতে গেসে। এই ফাকে ওই রঙ্গিন পত্রিকা নিয়ে বাথরুম এর দিকে রওনা দিলাম, বাথরুম গিয়ে পত্রিকার প্রছসদের মেয়ের ছবি দেখলাম আর ধন খেচা শুরু করলাম, ধন খেচতাসি আর চোখ বন্ধ করে ভাবতেসি যে ওই মেয়ে আমার সামনে নগ্ন হয়ে আছ, ওই মেয়েকে কল্পনা করতে করতে আমার মাল আউট হয়ে গেল। আস্তে আস্তে ধন থান্ডা হল আমি বাথরুম ও নিজেকে পরিস্কার করে বাথরুম থেকে বের হয়ে আসলাম। পত্রিকাটা আগের জাগায় এনে রেখে দিলাম। সে দিন পর থেকে একটা যিনিস খেয়াল করলাম রাস্তা অথবা এলাকার অথবা যে কোন শুন্দরি মেয়ে দেখলে আমার পত্রিকার সেই মেয়ের কথা মনে পরে যেত আর ধন খারা হয়ে যেত। তখন বাসায় এশে গোসল করার আগে একবার ধন খেচে নিতাম।আমরা যে বাড়িতে থাকতাম সেটি ছিল ৩ তালা, আমাদের বারিওয়লার ছে্লে ছাদে কবুতর পালত মাঝে মাঝে তার সাথে সাথে আমিও ছাদে উঠে কবুতর দেখতাম,নাম জানার চেস্তা করতাম, কি খায়, কি ভাবে বাচ্ছা ফুটায় তা জানার চেস্টা করতাম। ওই ভাইয়ার কাছ থেকে অনেক কবুতরের নাম জানতে পারলাম যেমন দোপাজ,কাল ঝাক, গররা, ঘিয়া সুল্লি আর আমার শবচেয়ে প্রিও কবুতর ছিল লক্ষা কারন ওর লেজগুল সিল ময়ুর এর মত। ওই ভাইয়ার সাথে ছাদে উথতে উথতে কবুতরের প্রতি আলাদা একটা নেশার জন্ম নিয়ে নিল তাই তখন সকাল ও বিকাল দুই বেলা ছাদে উঠা সুরু করলাম। আমারা নতুন কন কবুতর কিনে তার পাখা সিলাই করে দিতাম জাতে না উরতে পারে, তো একদিন নতুন একটা কবুতর উরাল দিয়ে ছাদের বাউন্ডারি দেয়াল এর উপর গিয়ে বশে পরল ভাজ্ঞ ভাল যে পাখা সিলািই করা সিল। আমি কবুতর তা ধরতে গেলাম ছাদের ওই কোনার দিকে, আমি কবুতর ধরায় ততটা এক্সপারট না তারপরেও অনেক কস্টে ধরলাম ঠিক সেই মুহুরতে আমার পাশের বাড়ির তিনতালার জানলার দিকে নজর গেল আর সাথে সাথে চোখ আটকে গেল। দেখলাম যে একটা লোক আর একটা মহিলা একজন আরেকজন কে ধরে চুমাচুমি আর হাত দিয়ে শরিএর বিভিন্ন অংশে চটকাচটকি করতেসে ওহহ জিবনে এই প্রথম এই টাইপ এর সিন দেখলাম আমারতো পুরাই মাথা নস্ট। ঠিক ওই সময় বড় ভাই ডাক দিল কিরে কবুতর নিয়া আসছ না কেন? আমি বললাম আসতাছি। তখন দোতালার বারান্দায় দিকে তাকিয়ে দেখি তারা আমাকে দেখে ফেলেছে আর সাথে সাথে তারা নিজেদেরকে ঠিক করে পরদা তাঙ্গায়া দিল। আমার মনটাই খারাপ হয়ে গেল। কিসু দেখতে পারলাম না। মনটা খারাপ করে কবুতরতা নিয়ে ভাইয়ার কাসে এসে পরলাম আর মনে মনে গালি দিলাম শালা ডাক দেওয়ার আর সময় পাইলি না। শোক আর দুখে আমি ছাদ থেকে নিচে নেমে গেলাম। নামার সময় মনে মনে চিন্তা করতে লাগলাম কালকে একটু আগে আগে ছাদে আস্তে হবে যদি কিছু দেখতে পারি।পরেরদিন সকাল সকাল ছাদে উঠলাম যদি কিছু দেখতে পাই, ছাদে উঠেই কোনার দিকে চলে গেলাম। ওই বাড়ির জানলার দিকে উকি দিলাম কিন্তু হায় জানলার সব পরদা যে টাঙ্গানো। কি আশা নিয়া আসলাম কিছু দেখব বলে আর কি দেখলাম বাল। মনটা খারাপ করে কবুতরের খোয়ার এর দিকে রওনা দিলাম। কবুতর গুলাকে খাবার আর পানি দেওয়ার পর আবার উকি দিলাম নাহ আশানরুপ কিছুই দেখতে পারলাম না। আবার সেই মন খারাপ ভাবতা চলে আসল। কিসুক্ষন ছাদে থেকে বাসায় ছলে গেলাম। বাসায় গিয়ে নাস্তা করে ইস্কুল এর দিকে রওনা দিলাম। ইস্কুল গিয়ে কন ভাবেই ক্লাস মন দিতে পারলাম না খালি গতকাল বিকালের কথা চিনতাহতে লাগল। কন রকম ক্লাস করে বাসায় ছলে আশ্লাম তারাতারি। বারিওালার বাসায় এসে কলিং বেল দিলাম উনাদের কাজের মহিলা গেট খুলে দিল জিজ্ঞাস করলাম যে মনা ভাই আসে নাকি বলল না সে তো ধাকার বাইরে গেসে কি একটা জরুরি কাজে, যাওয়ার সময় নাকি আমাকে বলতে বলসে যে থিক মত যেন কবুতরকে থিক মত খাওয়াই। আমিতো সুনে মহা খুশি কারন আসকে ছাদে কেউ থাকবে না আমি ছারা। বাসায় গিয়ে কোনমতে ড্রেসটা চেন্জ করেই ছাদের দিকে রওনা দিলাম। উঠেই আগে ওই কোনার দিকে গেলাম গিয়ে আবার উকি মারলাম আর দেখলাম জানলার অরধেক পরদা খোলা। দেখলাম গতকালের ওই মহিলা একটা মেক্সি গায় দিয়ে শুয়ে আসে। আমি ছাদের কোনায় কিছু পুরান ইট আর সুরকি রাখা আছে ওই কোনার দিকে লুকায়া দেখত থাকলাম এর পর ঘটানা কি ঘটে। একটু পরে দেখলাম ৮ থেকে ১০ বসরের একটি ছেলে একটা ছোট বাচ্ছাকে নিয়ে ওই মহিলার কাসে দিয়া চলে গেল, মহিলাটা বাচ্ছাটাকে তার পাসে সুয়ায়া রাখল কিন্তু বাচ্চাটা অনেক দুশটামি করতে লাগল কিসুতেই ঘুমায় না, উপায়ন্তর না দেখে মহিলা তার মেক্সির বুকের দিকের দুইতা বুতাম খুলে একটা দুধ বের করে বাচ্চার মুখে গুজে দিলো, আমিত দুধ দেইখা পুরায় পাগলা হইয়া গেলাম, বাচ্চাটা একটা দুধ খাওয়া অবস্থায় আরেকটা দুধ মেক্সির উপর দিয়া হাতান শুরু করল, এই অবস্থায় আমার যে কি অবস্থা আমি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবনা। মন্টা চাচছিল দুধ দুইটা যদি একটু ধরতে পারতাম, একটু পরে দেখি বাচ্চাটা যে দুধটা হাতাইতাছিল ওই দুধটা গুতায়া বের করে ফেলছে এই বার আমি দুধটা ভাল মত দেখতে পারলাম আহ কি সুন্দর আর কি বর। ওই মহিলার দুধ দেখতে দেখতে আমার ধনত পুরাই খারায় গেল কি করমু থিক বুঝতাসিলাম না কারন আশে পাশে আর কিছু উচা বাড়ি ছিল জার কারনে ধন্ খেচতেও পারতাসিলাম না যদি কেও দেখে ফেলে আসে পাসের ছাদ থেকে। এই ভাবে দেখতে দেখতে কখন যে সন্ধ্যা হয়ে গেল টের পেলাম না, সন্ধা হওয়ার সাথে সাথে ওই ৮-১০ বছরের ওই ছেলেটা এসে লাইট ধরায়া দিয়া পরদাটা টাঙ্গায়া দিল। অই দিন এর বেশি আর কিছু দেখতে পারলাম না।জিবনে প্রথম কোন নারীর বুক দেখলাম……মজাই মজা…।

Back to home page